ঈদের বাজি ফুটানো বিষয়ক কমিটির কাছে প্রশ্ন!!🌙
অনলাইনে তীব্র শব্দ দূষণকারী "বাজি" খুঁজে বেড়াচ্ছে একজন, আরেকজন বলছে এগুলো ফোটানো কি ঠিক? তখন সে উত্তর দিতাছে, এটা নাকি যার যার ইচ্ছার ব্যাপার।
তবে আমার মনে হয় সম্ভবত এটা যার যার ইচ্ছার ব্যাপার নয় , বরং যার যার বিবেকের ব্যাপার।
কেন?
কিছু মনে করবেন না। ✅যদি নিজের বাড়িতে বৃদ্ধ মা-বাবা থাকতো অসুস্থ, যারা সারাদিন ঘুমাতে পারে না শুধু রাতে একটু ঘুমাই অথবা সারারাত ঘুমাতে পারে না দিনে একটু ঘুমাই, পাশেই যার যার ইচ্ছা অনুযায়ী বাজির শব্দে তাদের ঘুম ভেঙে যায় এবং কাতর হয়ে যায় তখন কি বলবেন?
✅যাদের ছোট বেবি আছে অসুস্থ, যাদের নতুন বেবি আছে এক সপ্তাহ বা এক মাস বয়সের, তারা শব্দ শুনে লাফিয়ে ওঠে কান্নাকাটি শুরু করে এবং ঘন্টা খানেক কান্নাকাটি চলে।
✅ আশপাশে হাসপাতাল আছে রোগীদের নিঃশব্দ বিশ্রাম দেওয়া হচ্ছে, তারা জেগে উঠছে তাদের রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিরাময় বিলম্বিত হচ্ছে।
গত কয়েকদিন আগের একটা নিউজ ছিল, একজন শিশু ও রকম বাজি ফোটার শব্দ শুনে আতঙ্কিত হয়ে মৃত্যুবরণ করছে। পাখি প্রেমের কথা এখানে আর নাইবা বললাম। মানুষ বাঁচানো আগে।
✅সব কি নিজের ইচ্ছায় করলে ভালো হয়? তার থেকে উৎপাদিত কোন কিছু অন্যান্যদের কাছে কেমন লাগছে সেটাও তো একটা বিষয় তাইনা?
🚨 গান যেমন জোরে জোরে বাজানো ঠিক না কারণ এই শব্দ মানুষ বিরক্ত হয়, কষ্ট পায়। এটা বোঝেন, তাই অনেকে এয়ারফোন লাগিয়ে শোনে বা নিজের রুমের মধ্যে। তবে যেভাবে শুনুক গান শুনলে পাপ তার হবে কিন্তু বাহিরে সব থেকে শব্দ দূষণ করে সাধারণ মানুষকে কষ্ট না দেওয়ার ফলে সে অনেক বড় গুনাহ থেকে বেঁচে যাবে।
✅ বাজি ফোটানোর যার যার ইচ্ছা হলে সেটাও নিজের রুমের মধ্যে ফুটানো উচিত, যত বাহিরে কেউ শব্দ না শুনে এবং বাহিরে শব্দ দূষণ না হয়। 🚨🚨 মানে বিষয়টা কি যে আপনার একটি ইচ্ছা পূরণের জন্য, আপনার সামান্য সময়ের মজা করার জন্য শত শত মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে যাবে শত শত মানুষ কষ্ট পাবে এটা কোন ধরনের মানবতা?? আর এটা কোন ধরনের বিবেক !!


কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন